বুধবার, ১ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ অক্টোবর ২০১৯ ইং

ছাত্রলীগের কর্মী থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী

নিউজটি শেয়ার করুন

দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বারবার নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসে বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর যে নিরন্তর প্রচেষ্টা আপনি বঙ্গবন্ধু তনয়া বলেই হয়তো সম্ভব।

বাংলাদেশের উন্নয়নে সকল বাধাবিপত্তি পেড়িয়ে সম্ভব না কে সম্ভাবনায় রুপান্তর করায় একজন দেশরত্নকে আজকে বিশ্বমঞ্চে বিশ্বনেতায় পরিণত করেছে।

বিশ্বানয়নের এই যুগে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে যে অনন্য মর্যাদার আসন এনে দিয়েছেন তার একমাত্র অবদান বঙ্গবন্ধু তনয়ার। ১৯৭৫ সালের ইতিহাসের সবথেকে নির্মম এবং ঘৃন্য হত্যাযজ্ঞের পর বিদেশ বিভুই শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এর মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে মঙ্গল লোকের যে আলোক বর্তিকা নিয়ে এসেছিলেন তা বারবার নিভিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে আর্জেস গ্রেনেড কিংবা রাইফেলের তরতাজা বুলেটে। দেশীয় দোসররা আন্তর্জাতিক নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যেমে একজন শেখ হাসিনাকেই শুধু হত্যা করতেই চায়নি সেই সাথে বাংলাদেশের আজকের যে অর্জন আজকের যে অগ্রগতি সেইসবকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে বারবার । কারণ ষড়যন্ত্রকারীরা জানতো বঙ্গবন্ধুর প্রবাহমান রক্তের ধারা বাংলার মাটিতে থাকলে এই বাংলাদেশ মাথা তুলে দাঁড়াবেই, যা আজকে প্রমাণিত সত্য।

একজন শেখ হাসিনা প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জ নিতে যেমন পছন্দ করেন তেমনই প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পিতা মুজিবের যোগ্য উত্তরসূরীর পরিচয় দেন। প্রতিনিয়ত নানা প্রাকৃতিক ও কৃত্তিম সংকট-সংশয়ে শেখ হাসিনা শক্ত হাতে মোকাবেলা করার মধ্যে দিয়ে শেখ হাসিনা নিজেই নিজেকে ছাড়িয়ে যান। সফলতার সিড়িতে যেনো নিজেই নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী।

১৯৪৮ সালে ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে আন্দোলন সংগ্রামের দীর্ঘ পথচলায় ছাত্রলীগের সবথেকে বড় এবং সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করা বঙ্গবন্ধু জ্যেষ্ঠ তনয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনেতা ও সফল রাষ্ট্রনায়ক দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

শুভ জন্মদিন, বাংলার গরীব দুঃখী মেহনতী মানুষের হৃদস্পন্দন, শেখের বেটি শেখ হাসিনা।

লেখক: জগৎজ্যোতি রায় জয়, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সুনামগঞ্জ জেলা।

নিউজটি শেয়ার করুন

☑ বিজ্ঞাপন™

☑ বিজ্ঞাপন™

☑ বিজ্ঞাপন™

☑ বিজ্ঞাপন™