মঙ্গলবার, ১৭ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ৩১শে মার্চ, ২০২০ ইং

পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন কয়েকজন অতি লোভী ব্যাবসায়ি

খবরটি শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক::
পর্যাপ্ত পরিমানে মজুদ থাকলেও বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন কয়েকজন অতি লোভী ব্যাবসায়ি। করোনা ভাইরাসের কারনে পেয়াজের স্টক শেষ হয়ে গেছে প্রচার দিয়ে এসব ব্যাবসায়ি অতিরিক্ত লাভের আকাঙ্খা থেকে বাজারকে অস্থিতিশীল করে তোলছেন। বাজার ঘুরে দেখাগেছেেএই মানসিকতার ব্যবসায়িদের পাশের দোকানে কম মূল্যে পেয়াজ বিক্রী হলেও তাদের দোকানে প্রতি কেজী পেয়াজ বাজার থেকে ১০ থেকে ১৫টাকা বেশী মূল্যে বিক্রী করাহচ্ছে। শুক্রবার(২০ মার্চ) বিকেলে শহরের নতুন বাজার এলাকায় এমন অবস্থা পরিলক্ষিত হয় প্রতিবেদকের ।

করোনা ভাইরাসের কারণে গুজব ছড়িয়ে গত ২ দিনে ৩৫টাকা কেজী দরের পেয়াজ শুক্রবার ৫০ থেকে ৬০টাকায় বিক্রী করছেন ব্যাবসায়িরা। এই দামে বাজারের অধিকাংশ অতিলোভী ব্যাবসায়িরা বিক্রী শুরু করায় ক্রেতাদের কাছে প্রতি কেজী পেয়াজ৬০ টাকা দাম চাওয়া হচ্ছে। তবে কেউ কেউ একই পেয়াজ ৭০টাকা কেজী হিসেবে ক্রেতাদের কাছে বিক্রী করতেই মরিয়া।

শহরের কাজীরপয়েন্ট এলাকার বাসিন্দা শফিকুল মিয়া বলেন‘ বাজারে কালকে-পরশু পেয়াজ কিনলাম ৩৫-৪০টাকায়, এখন এক রাতে বেড়ে ৭০ টাকা দাম চাইছে, এক এক দোকানে এক এক দাম, কেউ চায় ৬০, কেউ চায় ৬৫, আবার কেউ কেউ ৭০টাকাও চায়, এই অবস্থায় প্রশাসনের নজরদারি আরও কঠোর থাকা দরকার’।

শহরের নতুন বাজার এলাকার নাজমুল স্টোরে পেয়াজ প্রেতি কেজী ৬০টাকা চাওয়া হচ্ছে। তবে এই মূল্য কমিয়ে রাখার সুযোগ আছে বলে জানান ব্যাবসায়ি। একই বাজারের এই দোকানের পার্শবর্তী মেসার্স রাফি ট্রেডার্স পেয়াজের প্রতি কেজী ৭০ টাকায় বিক্রী করছে। ক্রেতার বেশে প্রতিবেদককে প্রথমে চিনতে না পারলেও কিছু সময় পর দুরে অবস্থান করা সুনামগঞ্জ২৪.কম টিমের বাকি সদস্যদের দেখে প্রতিবেদককে প্রতি কেজী পেয়াজের দাম কমিয়ে ৬৫েএবং পরে ৬০টাকা রাখার কথা বলেন দোকানের ব্যবসায়ি ওয়াসিম। তিনি বলেন‘ পেয়াজের বাজারের অবস্থা খুব একটা ভালো না, আমরা তো বেশী দামে কিনে আনতে হচ্ছে দেখেই বেশী দামে বিক্রি করতে হচ্ছে, আমি বেশী লাভ করছিনা’।

জেলা শহরের অন্যান্য বাজারে পেয়াজের পর্যপ্ত মজুদ থাকলেও বেশী দামে বিক্রী করার প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। যদিও পেয়াজের দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন।

এ ব্যাপারে বাজার মনিটরিং টিমের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও সদর উপজেলার সহকারি কমিশনার(ভূমি) আরিফ আদনান সুনামগঞ্জ২৪.কম কে বলেন‘ বাজারে আমরা ঘুরে দেখছি, যারাই এই ধরণের অপরাধ সংঘঠিত করছে তাদের বিরুদ্ধেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আইনের প্রয়োগ করা হচ্ছে, কোনভাবেই কোন রকম গুজব ছড়িয়ে বাজারকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবেনা’।

✅ আপনাদের ভালোবাসায়

সুনামগঞ্জ২৪.কম/ এমসি/ এমএআই

খবরটি শেয়ার করুন

✅ বিজ্ঞাপন

✅ বিজ্ঞাপন

✅ বিজ্ঞাপন