বৃহস্পতিবার, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা জুন, ২০২০ ইং

সন্ধ্যায় বাংলাদেশ উপকূলে আঘাৎ করতে পারে ‘ভয়াবহ শক্তিশালী সাইক্লোন’ আম্পান

খবরটি শেয়ার করুন:

ডেস্ক রিপোর্ট::

বাতাসের তীব্রতা শুরুর দিকথেকে কিছুটা কমে সুপার সাইক্লোন আম্পান ‘অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে’ রূপ নিয়ে সন্ধ্যায় বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত করবে। বুধবার(২০ মে) বিকেল থেকে সন্ধ্যা নাগাদ ভারী বর্ষণ ও টানা ঝড়ো বাতাসসহ ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার বেগে বাংলাদেশের হাতিয়া ও পশ্চিমবঙ্গের দীঘায় এই প্রবল ঘুর্ণিঝড় আঘাত হানার আশংকা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ইতিমধ্যেই উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি উত্তাল হয়ে উঠছে সমুদ্র। বইছে বাতাস। ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটারও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে পূর্ভাবাসে জানানো হয়েছে। সঙ্গে থাকবে কমপক্ষে ৭থেকে ১২ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস। দেশের ও প্রতিবেশী দেশ ভারতের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানাগেছে।

✅ আপনাদের ভালোবাসায়

আম্পান এর প্রভাবে এরই মাঝে ভারতের উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূলীয় সুন্দরবনসহ বিভিন্ন এলাকায় ঝড় বাতাস ও ভারী বর্ষণ শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ৩ লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। করোনার হুমকির মধ্যে এ ঘূর্ণিঝড় আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করবে বলে গুরুতর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের পরিচালন অধিকর্তা মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা ভয়ঙ্কর আর বহু মাত্রায় বিপজ্জনক এক সাইক্লোনের মুখোমুখী হতে যাচ্ছি। বিধ্বংসী ঝড়ো বাতাস নিয়ে আম্পান আঘাত করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা, গাছপালার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

১৯৯৯ সালের উড়িষ্যা ঘূর্ণিঝড়ের পর আম্পান সবচেয়ে ভয়াবহ সাইক্লোন। ঘূর্ণিঝড় ঘিরে যে কোনো ধরনের সহায়তা দিতে অতি সতর্ক অবস্থানে আছে ভারতীয় নৌবাহিনী। বাংলাদেশের উপকূলের মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতিমুলক ব্যাবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের উপকূলীয় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মানুষদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এবারও বাংলাদেশের সুন্দরবন এই সুপার সাইক্লোনকে দুর্বল করতে নিজে লন্ডভন্ড হতে যাচ্ছে। যদিও বাংলাদেশের মানুষ সুন্দরবনকেই ক্রমাগত ধ্বংস করে দিচ্ছে।

সুনামগঞ্জ২৪.কম/ বানি/ এমএআই

খবরটি শেয়ার করুন:

✅ বিজ্ঞাপন

✅ বিজ্ঞাপন

✅ বিজ্ঞাপন